রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ০৪:৫২ অপরাহ্ন

নোটিশ::
দৈনিক গাইবান্ধার মুখ পত্রিকার সকল রির্পোটারদেরক  https://www.gaibandharmukh.com এর জন্য সংবাদ পাঠানোর জন্য বলা হলো।
সুন্দরগঞ্জের মেধাবী সাবিনাকে বাঁচানোর আহ্বান

সুন্দরগঞ্জের মেধাবী সাবিনাকে বাঁচানোর আহ্বান

স্টাফ রিপোর্টঃ সুন্দরগঞ্জ উপজেলার দিনমজুর বাবার কন্যা সাবিনা আক্তার (১৪) দীর্ঘদিন ধরে কিডনিজনিত রোগে ভুগছে। তার দুই কিডনিতে পানি জমে মুমূর্ষু সে, মৃত্যুপথযাত্রী। আর্থিক সমস্যার কারণে চিকিৎসা করাতে পারছে না দিনমজুর বাবা। দীর্ঘদিন যাবৎ কিডনিজনিত রোগে ভুগলেও টাকার অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে তার চিকিৎসা। সাবিনা উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নের মনমথ (কুটিপাড়া) গ্রামের ছামিউল ইসলামের মেয়ে ও পার্শবর্তী বামনডাঙ্গা বালিকা উচ্চ বিদালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।

পারিবারিক সূত্র জানায়, প্রায় একবছর আগে হঠাৎ করে শরীর ফুলে যায় সাবিনার। তারপর এলাকার পল্লী চিকিৎসকের দেওয়া হোমিওপ্যাথিক ওষুধ খেয়েই চলে তার চিকিৎসা। কিন্তু ওষুধ খাওয়ার পর সাবিনার শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি হয়। পুরো শরীরে পানি জমে আরো স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে। পরে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারকে দেখালে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে কিডনির সমস্যা ধরা পড়ে। এরপর থেকে টাকার অভাবে অনিয়মিত ওষুধ খেয়েই কোনোরকম চিকিৎসা চলছে তার। কিছুদিন আগে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো অর্থ না থাকায় হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

সাবিনা বর্তমানে রংপুর মেডিক্যাল কলেজের বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের প্রধান ডা. নিয়াজ আহাম্মেদের তত্ত্বাবধানে আছেন। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এর মধ্যে সাবিনার একটা কিডনি ড্যামেজ দেখা দিয়েছে। আরেকটা কিডনিও ঝুঁকির মধ্যে আছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসক। দ্রুত অপারেশন করতে পরামর্শ দিয়েছে ডাক্তাররা। তা না হলে কিডনি দুটো পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাবে। সাবিনার অপারেশন করার খরচ প্রাথমিক তিন লাখ টাকার মতো নির্ধারণ করেছে চিকিৎসক। নুন আনতে পান্তা ফুরিয়ে যাওয়া দরিদ্র পরিবারের পক্ষে তার চিকিৎসা চালানো একেবারে অসম্ভব। তাই দিনমজুর বাবার পক্ষে সাবিনার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। ফলে উন্নত চিকিৎসা করা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার অনুরোধ করেছে সাবিনার পরিবার।

সাবিনার বাবা ছামিউল ইসলাম বলেন, আমি দিনমজুরি করে যা রোজগার করি তা দিয়ে কোনোরকম সংসার চলে। অন্যের ক্ষেত-খামারে কাজ করে মেয়ের চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব। এর মধ্যে মেয়ের চিকিৎসা করতে গিয়ে অনেক ধার-দেনা করেছি। সুদের ওপর টাকা নিয়ে অনেকগুলো টেস্ট করতে হয়েছে। কিন্তু তিন লাখ টাকা জোগাড় করে মেয়ের চিকিৎসার খরচ বহন করব কিভাবে? হয়তো-বা বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে সে। আমি সমাজের সম্পদশালী ব্যক্তি ও হৃদয়বান মানুষকে এগিয়ে আসার অনুরোধ করছি।

সাহায্যে পাঠাতে যোগাযোগ করুন : ০১৮৭২১০৯৬৬০ (বাবা)।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All Rights Reserved © 2019 Gaibandhar Mukh
Design & Developed By Shahriar Hossain